• বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত পাঁকার জালাল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ রাঙ্গাবালীতে দুই ড্রেজারচালকের জেল, ৭ শ্রমিকের ৫ লাখ টাকা জরিমানা শীতের শুরুতেই অতিথি পাখিদের কলতানে মুখরিত জবই বিল তাহেরপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠাতা শহীদ আলো খন্দকারের ১৮তম শাহাদৎ বার্ষিকী মিলাদ মাহফিল গোমস্তাপুরে ১৬ ডিসেম্বর শপথ অনুষ্ঠানে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত একজন সফল নারী উদ্যোক্তা শিউলি আক্তারের গল্প ডাকাত মোঃ রায়হান (২৮) ও আব্দুল কাদের (১৯) গ্রেফতার। চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে খামারে তল্লাশি চালিয়ে গরু ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার ৬ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাওনা টাকা দিবে বলে বাড়িতে ডেকে সন্ত্রাসী হামলার শিকার এক ধান ব্যবসায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুরে ডাকাতি ঘটনায় ৫টি গরু উদ্ধার’ ৬ ডাকাত গ্রেফতার



নাটোরে সেই কল্পনা পাহানের পাশে প্রশাসন

Reporter Name / ৩০ Time View
Update : সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১



নাটোরে সেই কল্পনা পাহানের পাশে প্রশাসন

নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোর শহরতলীর ‘হাজরা নাটোর’ এলাকার আদিবাসি নারী কল্পনা পাহানের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে পাঁচ হাজার টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। জেলা প্রশাসক মোঃ শাহরিয়াজের পক্ষে জেলা ত্রাণ ও পূনবাসন কর্মকর্তা সালাহ উদ্দীন-আল-ওয়াদুদ কল্পনাকে চেক হস্তান্তর করেন। এর আগে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা সুদ ব্যবসায়ীর কবল থেকে কল্পনার বসতভিটা দ্রুত সময়ের মধ্যেই দখলমুক্ত করার আশ^াস দেন।
উল্লেখ্য, ‘হাজরা নাটোর’ এলাকার কল্পনা পাহানের কিডনির সমস্যা হলে তিনি সুদ কারবারি খুশি বেগমের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঋণ নেন। এরপর কয়েক ধাপে পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা পরিশোধ করেন তিনি। কিন্তু সুদ বাবদ খুশি বেগম তিন লাখ টাকা দাবী করেন। এরই এক পর্যায়ে একদিন দলবল নিয়ে বাড়িতে এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে একটা ফাঁকা স্ট্যাম্পে তার স্বামী গোহনু পাহানের স্বাক্ষর নেয় তারা। এর সপ্তাহ খানেক পরে তাদের দুই শতাংশ জমির উপর নির্মিত কাচা বাড়ি থেকে তাকে তাড়িয়ে দেন সুদ ব্যবসায়ী খুশি বেগম। এখন সেখানে পাকা দালান তুলে বসবাস করছেন খুশি। দলিল থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে জায়গার দখল নেই তার। অন্যের জমিতে কাজ করে কোনওভাবে বেঁচে আছেন তিনি। এ বিষয়ে কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেরার হুমকিও দেন খুশি বেগম। এছাড়া একই এলাকার সামছুন্নার, রহিমা বেগমও সুদ কারবারি খুশি বেগমের খপ্পরে পড়ে বসতভিটা বিক্রি করে নিঃস্ব হয়েছেন। এনিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে তা পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহার নজরে আসে। তখন থেকেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়। কয়েকদিনের অনুসন্ধানে সুদের ভয়াবহতার সত্যতা পাওয়ায় সুদ ব্যবসায়ী খুশি বেগমকে থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ খুশি বেগম ও ভূক্তভোগীদের থানায় নিয়ে আসেন। সেখানে ভূক্তভোগী সামসুন্নাহার বাদি হয়ে খুশি বেগমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন। মামলার এজাহারে ভূক্তভোগী কল্পনা পাহানের বসতভিটা দখল করে নেওয়া ও কথিত সুদের টাকার জন্য রহিমা বেগমকে নির্যাতনের ঘটনা উঠে আসে। পরে খুশি বেগমকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category