• মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্পত্তি বেদখলে আপনার করণীয়, সম্পত্তি বেদখল কি? ভোলাহাটে কুরিয়ার সার্ভিসগুলো অনিয়মে ভরপুর; অতিষ্ঠ অনলাইন ব্যবসায়ীরা কুষ্টিয়ায় ট্রিপল মার্ডার, দায় স্বীকার করে এএসআই সৌমেনের জবানবন্দি আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ৫ দিন যাবত নিখোঁজ ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ! চার মাসে অভিযুক্ত কে আটক করতে পারেনি গোমস্তাপুর থানা পুলিশ ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ! চার মাসে অভিযুক্ত কে আটক করতে পারেনি গোমস্তাপুর থানা পুলিশ অটোমোবাইল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত মাগুরায় খন্ডিত লাশের মাথা ও পা উদ্ধার, আটক-১ বরগুনার আমতলীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান : জরিমানা ৬ হাজার টাকা। রহনপর পৌরসভায় শৌচাগার নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম! ৯৯৯ এ কল করে কাজ বন্ধ করল সাধারণ জনগণ



রাতের আধারে ত্রাণ নিয়ে আমেনা বেগমের পাশে রাজাপুর’র ইউএনও

Reporter Name / ০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১



আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
সারা দেশে করোনাভাইরাসে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ, অভাব-অনটন। এর থেকে রাজাপুর বাসীকে রক্ষা করতে সরকারের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন। কারো ঘরে খাবার না থাকলে খবর পেয়ে গ্রামগঞ্জে ত্রাণ নিয়ে ছুটে যান ওই কর্মকর্তা।

সোমবার (১০ মে) বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট কৈবর্তখালী গ্রামে অসহায়, হতদরিদ্র, কর্মহীন আমেনা বেগমের আর্তনাতের কথাগুলো সাংবাদিক মোঃ নাঈম হাসান ঈমন তার ব্যাক্তিগত ফেসবুকে লাইভ ভিডিও পোষ্ট করেন পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে সেই ভিডিও রাজাপুর ইউএনওর নজরে পরার পরে রাতেই নিজস্ব গাড়িতে করে সেই আমেনা বেগমের বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে হাসি ফুটিয়েছেন। এবং ভূমিহীনদের দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ঘর ও সরকারি ভাতা আমেনা বেগম কে দেওয়ার কথা জানান।

আমেনা বেগম জানান,আমার আয় করার মত কেউ নাই, আমার স্বামী সন্তান নাই, থাকার মতো কোনো স্থান নাই। ইউএনও স্যার আমার সমস্যার কথা শুনে নিজেই খাদ্যসামগ্রী নিয়ে আমার কাছে হাজির হয়েছেন। এই সময়ে আমার অনেক উপকার হয়েছে। আমকে বলছে থাকার মতো সরকারি ঘর ও ভাতা দিবে আমি ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই আমি তাকে দোয়া করি আল্লাহ তার সহায় হোক।

এ বিষয়ে রাজাপুর ইউএনও মোক্তার হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো ইফতারের পর একটু বিশ্রামের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। হঠাৎ অফিসিয়াল ফেসবুকে ঢুকা মাত্রই প্রথমে আমেনা বেগমের ছবিটা চোখে পড়ল। তার খাওয়ার মত কিছু নেই। তৃতীয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পোষ্ট দাতার নম্বর পাওয়া গেলো। পোষ্ট দাতাকে ফোন দিয়ে ঠিকানা নিয়ে ছুটলাম আমেনা বেগমের কাছে যাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সহায়তা হাতে তুলে দিলাম। জানতে পারি তার থাকার কোনো জায়গা নেই ও কোনো ভাতাও পাচ্ছেননা। এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন হলেই আমেনা বেগমের জন্য ঘর এবং কোনো ভাতার ব্যবস্থা করব।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category





%d bloggers like this: