• সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ঝিনাইদহে করোনার হঠাৎ ছোবল ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৫১,ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু মোক একনা ঘর নিয়্যা দেও বাহে রংপুর বিভাগে শ্রেষ্ঠ ডিসি হলেন জনাব মোঃ আবদুল মতিন স্যার মহম্মদপুর উপজেলা আবারও অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ২৩ জনকে দন্ড প্রদান, চেকপোস্ট গুলোতে পুলিশের কড়াকড়ি বীরগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু। গোমস্তাপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের দাফন সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২১ বছর ধরে শিক্ষকতা করেও পাননি বেতন-ভাতা, অর্থাভাবে পাচ্ছেন না চিকিৎসা পটুয়াখালীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান পরিচালনা: জরিমানা ৮ হাজার টাকা। সাপাহারে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ-বেতের কারুশিল্প

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্যান্সারে দু’চোখ হারানো ছোট্ট ফুটফুটে শিশুকে অর্থ সহায়তার চেক প্রদান

Reporter Name / ০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ডি এম কপোত নবী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জে দু’চোখ হারানো ছোট্ট ফুটফুটে শিশু মাশরাফিকে চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকার অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পৌর এলাকার ২ নং ওয়ার্ডের হুজরাপুর রেল বাগান এলাকার গরীব অসহায় শ্রমিক শাকিল আহমেদ ও মোসা. রাজেফা খাতুনের ছেলে।

গত ৬ মে জেলা প্রশাসক ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোসা. উম্মে কুলসুম সাক্ষরিত ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে শিশু মাশরাফির মা রাজেফা খাতুন এ প্রতিবেদককে জানান, আমার ছোট্ট ছেলে মাশরাফির ৬ মাস বয়সে দুই চোখেই ক্যান্সার ধরা পড়ে। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি চিকিৎসকের পরামর্শে শরীরে ক্যান্সার ছড়ানো বন্ধে অস্ত্র পচারের মাধ্যমে দুটি চোখই অপসারণ করা হয় বলেই কেঁদে উঠেন অবুজ ছোট্ট শিশুর মা রাফেজা।

এ বিষয়ে তরুণ ও নবীন নারী উদ্যোক্তা, মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী নাজনীন ফাতেমা জিনিয়া এ প্রতিবেদককে জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুদানে জেলা প্রশাসক মো.মুঞ্জুরুল হাফিজ’র কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে শিশুটির মায়ের হাতে। এহেন মানবিক সহযোগিতার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সমাজসেবা অফিসার ইমতিয়াজ কবির স্যারকে।

নাজনিন ফাতেমা জিনিয়া আরও জানান, শিশুটির পরিবার নিতান্তই গরীব। বাবা যখন যা কাজ পাই তাই করে যা রোজগার করে, শ্রমিক হিসেবে কাজ করে যতটুকু হয় সেটা থেকেই চলে সবকিছু সংসার। সেখানে শিশুটির চিকিৎসার জন্য খরচ যোগাতেও হিমশিম খেতে হয়। ঠিক এমন সময় পরিবারটির হাতে অর্থ সহায়তা করেন, সমাজসেবা ও জেলা প্রশাসন চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

নাজনিন ফাতেমা জিনিয়া আরও বলেন, শিশুটিকে সহায়তা পাইয়ে দিতে আমি সাধ্যমত চেষ্টা করেছি। আর এ সফল প্রচেষ্টার সাথে যুক্ত থাকতে পেরেও আমি অনেক আনন্দিত । সমাজের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্ররণা।

অসহায় গরীব ঘরের ছোট্ট শিশুটি কি তার দু’চোখে আলো কখনও ফিরে পাবে না? অন্ধকার জগৎ থেকে আলো ফিরিয়ে দিতে তার চোখ প্রতিস্থাপন করা কি যায় না। সমাজের উঁচু মহল, সরকারসহ কেউ কি নেই শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে?আলো ফিরিয়ে দিতে কেউ কি আসবে না?সারাটা জীবনই কি অন্ধকারেই থেকে যাবে মাশরাফি?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

%d bloggers like this: