• মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত সম্পত্তি বেদখলে আপনার করণীয়, সম্পত্তি বেদখল কি? ভোলাহাটে কুরিয়ার সার্ভিসগুলো অনিয়মে ভরপুর; অতিষ্ঠ অনলাইন ব্যবসায়ীরা কুষ্টিয়ায় ট্রিপল মার্ডার, দায় স্বীকার করে এএসআই সৌমেনের জবানবন্দি আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ৫ দিন যাবত নিখোঁজ ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ! চার মাসে অভিযুক্ত কে আটক করতে পারেনি গোমস্তাপুর থানা পুলিশ ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ! চার মাসে অভিযুক্ত কে আটক করতে পারেনি গোমস্তাপুর থানা পুলিশ অটোমোবাইল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত মাগুরায় খন্ডিত লাশের মাথা ও পা উদ্ধার, আটক-১ বরগুনার আমতলীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান : জরিমানা ৬ হাজার টাকা।



নাচোল সরকারী হাসপাতালে এক সেবিকার বিরুদ্ধে রোগীর লোকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ! ভর্তির রোগীর ক্যাথিটার করার জন্য টাকা চাওয়ার অভিযোগ

Reporter Name / ০ Time View
Update : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১



নাচোল প্রতিনিধিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল হাসপাতালে এক সেবিকার বিরুদ্ধে রোগীর লোকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও ক্যাথিটার করার বাবদ টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তোভূগি এ বিষয়ে গত ২৮মে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুলতানা পাপিয়ার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে জানাগেছে, নাচোল পৌর এলাকার মুরাদপুর(নতুনপাড়া) গ্রামের ফাইজুদ্দিন এর স্ত্রী আক্তারা বানু তার মার শহর বানু(৮০)চিকিৎসার জন্য ২৭মে নাচোল হাসপাতালে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হক রোগীকে ভর্তি করে ব্যবস্থাপত্র দেন। আক্তারা বানু তার মাকে নিয়ে ওপরে ১৪নং ওয়ার্ডে ভর্তি করিয়ে ব্যবস্থাপত্র কর্তব্যরত সেবিকা আকলিমা খাতুনকে দিলে রোগীর ক্যাথিটার করার বাবদ=৩০০/(তিনশত) টাকা চাই। রোগীর লোক গরীব হওয়ায় টাকা দিতে না চাইলে সেবিকা আকলিমা খাতুন ও তার সাথে থাকা আরো ২জন সেবিকা রেহেনা খাতুন ও বেলি আক্তার আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করেন। আক্তারা খাতুন সাংবাদিকদের জানাই, আমার মায়ের ৮০বছর বয়স। আমার মা আমার বাসায় থাকে । আমি খুব গরীব মানুষ কোন রকমে কষ্ঠে দিনতিপাত করছি। ডাক্তার বলেছে আমার মাকে রাজশাহী নিয়ে গিয়ে অপারেশন করাতে হবে। টাকা সংকুলান করতে না পারায় আপাতত নাচোল সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি। জানাগেছে, ওই অভিযুক্ত সেবিকা জনৈক আওয়ামীলীগ নেতাকে ধরে অভিযোগকারীকে অভিযোগ প্রত্যাহারে জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রসেস চালিয়ে যাচ্ছে। আরো কয়েকজন ভুক্তোভূগি জানায় ওই সেবিকা এই হাসপাতালে যোগদান করার পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং এখনও প্রভাব খাটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে যাচ্ছে। এবিষয়ে অভিযুক্ত সেবিকার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ওই সময় আমার ডিউটি ছিলোনা । আমি ভায়া সেন্টারের দায়িত্বে ছিলাম। ওই সময় ইনচার্জ ছিলেন রেহেনা সিসটার। টাকা চাওয়া বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
এবিষয়ে নাচোল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সুলতানা পাপিয়ার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি এবং একটি তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। তদন্ত শেষে দোষী প্রমানিত হলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category





%d bloggers like this: