• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাগমারা’য় ৭ মাসের শিশু নিয়ে পালিয়েছে এক গৃহবধূ আদমদীঘিতে প্রিপেইড মিটার সংযোগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন রামুতে ইউপি সদস্য অপহৃত: ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, জনমনে চরম আতঙ্ক নওগাঁর নিয়ামতপুরের বাহাদুরপুর গ্রামে গভীর রাতে গলা কেটে একই পরিবারের ৪ জন সদস্যকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কারাগারেই এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে নোয়াখালীর শিক্ষার্থী কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশের বন্ধ জুটমিল গুলো চালু করা হবে : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম নওগাঁর নিয়ামতপুরে রাতের অন্ধকারে নৃশংসতা; একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত হলেন মাহমুদা হাবিবা উত্তর জাপানে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা জারি নওগাঁর নিয়ামতপুরের বাহাদুরপুর গ্রামে গভীর রাতে গলা কেটে একই পরিবারের ৪ জন সদস্যকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বদলগাছীতে ফুল কপির বাম্পার ফলন দাম না থাকায় হতাশ কৃষক ফুলকপি ক্ষেতে হতাশ দাঁড়িয়ে কৃষক

Reporter Name / ২৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০

হারুনুর রশিদ (হারুন) বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধিঃ-
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় কোলা ইউনিয়নে শীতকালীন সবজি ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। তবুও নেই কৃষকের মুখে হাসি। গত মৌসুমের চেয়ে এ মৌসুমে ফুলকপির ফলন অনেক বেশি হয়েছে।

এ বছর বদলগাছী উপজেলায় কোলা ইউনিয়নে প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। যা গতবছরের চেয়ে কম। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর ফুলকপির ফলন আশা অনুরূপ অনেক বেশিই হয়েছে। ফুলকপির বাম্পার ফলন হওয়ার পরও নেই কৃষকের মুখে হাসি।

ফলন বেশি হওয়ার পরেও লোকসান গুণতে হচ্ছে অধিকাংশ কৃষককে। যার ফলে হতাশায় ভোগছেন বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউপির ফুলকপি চাষিরা।

হতাশার কারন জানতে চাইলে, উপজেলার কোলা ইউনিয়নের খামার আক্কেল পুর গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল হোসেন বলেন এ মৌসুমে ফুল কপির ফলন অন্য বছরের চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। কিন্তু ফলন ভালো হলেও সঠিক মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিটি ফুলকপি ফলানোর জন্য প্রায় দশ টাকা খরচ হচ্ছে।কিন্তু কপি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে গেলে দাম পাওয়া যাচ্ছে মাত্র পাঁচ টাকা। এজন্য ফলন বেশি হওয়ার পরেও নেই কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি।

একই গ্রামের কৃষক মো. দুলাল হোসেন বলেন, ৩৩ শতাংশ জমিতে ফুলকপি চাষ করতে তার খরচ হয়েছে ১৬/১৭ হাজার টাকা, আর কপি বিক্রি করে মাত্র ১২/১৪ হাজার টাকা হাতে পেয়েছে, এ বছর ফুলকপি চাষ করে তার প্রায় ৫/৬ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোলা ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃআলমগীর জানান উপজেলার কোলা ইউনিয়নে প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। যা গতবছরের চেয়ে কম। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর ফুলকপির ফলন আশা অনুরুপ অনেক বেশিই হয়েছে। ফুলকপির ফলন ভালো হওয়ার পরেও স্থানীয় বাজারে
কপির দাম না থাকায় হতাশায় পড়েছে এই অঞ্চলের কৃষকেরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category