স্টাফ রিপোর্টার: নওগাঁর সাপাহারে প্রতিপক্ষের লোকজনের হুমকি ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্মে নতুন ভবন নির্মাণ করতে পারছেননা বলে অভিযোগ করেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা। আব্দুল্লাহ আল মামুন উপজেলার বামনপাড়া ও বর্তমান সাপাহার সদরের বাসিন্দা শাহাজান হোসেনের ছেলে।
ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৪০ বছর আগে তার বাবা শাহজান হোসেন উপজেলা সদরের থানা রোডে নিজ সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মানণ করেন। সময়ের পরিক্রমায় বাড়ি ভেঙ্গে ১বছর আগে নতুন বাড়ী নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বাড়ীর ভবন তৈরী করতে গিয়ে তিনি পড়েন চরম বিপাকে। স্থানীয় কিছু নেতাকর্মীর প্ররোচনায় একদল চাঁদাবাজ তার নিকট চাঁদা দাবী করতেই থাকে। চাঁদা না দিলে বাড়ীর ভবন তৈরী করতে দিবেনা মর্মেও হুমকি দেয় তারা।
পরিস্থিতি বিবেচনায় কোনো ঝামেলায় জড়াবে না এমন সরলতায় চাঁদাবাজ বাহিনীকে কয়েক দফায় তিনি পাঁচ লাখ টাকা তুলে দেন বলেও অভিযোগ করেন। পরবর্তী সময়ে বাড়ীর কাজ কিছু এগুলে তিন লাখ টাকার দাবিতে গত ২০ এপ্রিল ১০-১২ জনের চাঁদাবাজ বাহিনী নবনির্মিত ওই বাড়িতে যায়। এ সময় টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙ্গে আলামত নষ্ট করার চেষ্টা চালায়। চাঁদাবাজদের দাবি পূরণ না হওয়ায় অব্যাহত প্রাণনাশের হুমকিতে পরিবার নিয়ে বাসা ছেড়ে রাজশাহীতেআশ্রয় নিয়েছেন অগ্রণী ব্যাংকের এই কর্মকর্তা। আব্দুল্লাহ আল মামুন এই ব্যাপারে ওই দিনই স্থানীয় থানায় অভিযোগ দিতে যান মামুন। কিন্তু ওসি তারেকুর রহমান অভিযোগ না নিয়ে উল্টো তাকে হয়রানি করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শাহাদাত বলেন, আমরা কোন প্রকার চাঁদাবাজি বা হুমকি দেইনি। মামুন বাড়ি নির্মাণ করার সময় ২ ফিট জায়গা ছাড়ার কথা থাকলেও সে জায়গা ছাড়েনি। বরং ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা অবৈধভাবে দখল করেছেন।
এ ব্যাপারে সাপাহার থানার ওসির সঙ্গে কথা বললে ভুক্তভোগীর কোনো অভিযোগ পাননি জানিয়ে উল্টো অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগ পেলে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দেন ওসি তারেকুর রহমান সরকার।