শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের মারধরের শিকার হয়েছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সাইফুল ইসলাম। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাইফুল দোষীদের সুষ্ঠু বিচার চেয়ে হাসপাতাল পরিচালকের কাছে দরখাস্ত দিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সাইফুল জানান, তিনি বুধবার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের দন্ত বহির্বিভাগের এক্সোডনশিয়া কক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় বিডিএস কোর্সের কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসক কক্ষে আসেন। তারা জানতে চান তাদেরকে দেখেও কেন চেয়ার এগিয়ে দেইনি, বসতে বলিনি। একপর্যায়ে তারা তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে হঠাৎ বিডিএস কোর্সের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ছাত্রসহ বেশ কয়েকজন আমার কক্ষে
ঢুকে রোগীদের বের করে দরজা বন্ধ করে দেন। এ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. নাঈম, ডা. সগির, ডা. সাফওয়ান ও ডা. জাবেদ আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। তারা চেয়ার দিয়ে আমার মাথায় অনেকগুলো আঘাত করেন, কিল-ঘুসি ও লাথি মেরে কক্ষের মেঝেতে ফেলে দেন। উপর্যুপরি আঘাতে আমার নাক-মুখ এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। তারপর ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই আমাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে আমাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টির পুলিশ কেস হলেও তারা টিকিটে এক্সিডেন্টাল ইনজুরি লিখে দেন। আমার শারীরিক অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা রাতে আমাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক ডা. খলিলুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো দরখাস্ত পাইনি। ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে সাইফুলকে দেখে এসেছি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।