রাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার জোঁকা বিলে মৎস্য চাষকে কেন্দ্র করে আবারও বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙ্গচুরের মামলায় ৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছেন বাগমারা থানা পুলিশ।
জোকা বিলের সাধারন সম্পাদক আয়নাল হক বাদী হয়ে ৩০শে জুন ১৪৩,৩৪১,৪৪৭,৪৪৮,৩২৩,৪২৭,৩৭৯ ও ১১৪ ধারায় বাগমারা থানায় মামলা করেন,মামলা নং ৩৯।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায় ২৯শে জুন মঙ্গলবার মন্দিয়াল গ্রামের বুদাই গাইনের ছেলে জাবের আলী(৪৮),পানিয়া গ্রামের মৃত জলু’র ছেলে জোনাব আলী(৪৫),মৃত আঃ সামাদের ছেলে আহসান হাবিব(৫৫)এদের হুকুমে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ জোঁকাবিলের মৎস্য চাষের উপকরণ জাল, দড়ি, বানা কর্তন করেন,এতে করে ঐ বিলের প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়।
এবং মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী গন
হাটমাধনগর গ্রামের আজিবার রহমান,বুরহান উদ্দিন, কাজল,সাইফুল ইসলাম,বাবু,আনিছার রহমান,পানিয়া গ্রামের মনির উদ্দিন,কাষ্টনাংলা গ্রামের,এছাহাক,এজলাস,আঃরাজ্জাক,আক্কা, মুক্তারসহ এ বিলের চারিপাশের প্রায় ২০-২৫টি বাড়িঘর,দোকানপাট, মুরগীর খামার ও পানবরজে হামলা চালিয়ে প্রায় প্রায় ১২লক্ষ৫০হাজার টাকার ক্ষতি করেছেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতংঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জোঁকা বিলে মৎস্যচাষ নিয়ে বিগত ২০১৮ সালের ১৮ই এপ্রিল প্রকল্পের কোষাধ্যক্ষ আনিছুর রহমানকে প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। মামলা চলমান,এ মামলার আসামীরা আবারও এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন মহল। স্থানীয় লোকজনদের সাথে কথা বলে জানাগেছে এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলাপরিষদ সদস্য এবং নরদাশ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মাস্টার আব্দুর রশিদ,তিনি অত্র বিলের চারপাশের জমির মালিক ও মৎস্যজীবীদের সমন্বয়ে সুষ্ঠ ভাবে গত তিন বছর ধরে মাছ চাষ করে আসছেন, অপর পক্ষে জাবের আলী নামের এক ব্যক্তি।
মামলা সুত্রে আরো জানা যায় যে জাবের,জোনাব ও আহসানের হুকুমে এবং তারা
উদ্যেশ্য প্রনোদিত এবং পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এধরনের হামলা পরিচালনা করেন।
হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন এ মামলায় ৫ জন আসামীকে আটক করা হয়েছে,অন্যান্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাক আহম্মেদ বলেন ৫জন আসামীকে আটক করে তাদের জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে এবং সেখানকার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।