চাঁপাইনবাবগঞ্জে চায়ের টাকায় চলে স্কুল

Zarif Zarif

Hossain

প্রকাশিত: ৩:৩২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৪, ২০২১

জারিফ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের ঠাকুর পলশায় অবস্থিত রফিক সোনামুনি পাঠশালা। এ পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা রফিকুল ইসলাম। পেশায় তিনি চা বিক্রেতা। চা বিক্রি করে স্বল্প আয়ের উৎস থেকেই চলে রফিক সোনামুনি পাঠশালা। রফিক পাঠশালা বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় ২০১০ সালে। চা বিক্রেতা রফিকের হাতধরে।

এ পাঠশালায় ১ম শ্রেনী থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত পাঠদান শিক্ষাক্রম চলু আছে। প্রধান শিক্ষক পদবীতে নিয়জিত আছে মোঃ ফরমান আলী। রওশন আরা,শামশুন নাহার,মেঘলা পান্ডে,মোসাঃ ফাহমিদা খাতুনসহ নুর আক্তার জাহান মোট ৫জন সহকারী শিক্ষিকা পদে নিয়জিত আছে।

২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম শ্রেনীতে ২৯জন,দ্বিতীয় শ্রেনীতে ২৬ জন,তৃতীয় শ্রেনীতে ৩০ জন,৪র্থ শ্রেনীতে ২৮ জন,৫ম শ্রেনীতে ২২জন মোট ১৩৫জন শিক্ষার্থী আছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানায়; রফিক পাঠশালা স্কুলটি স্থানীয়দের মাঝে শিক্ষার জন্য টনক নড়েছে।

পাঠশালার উপদেষ্টা জারিফ হোসেন বলেন;পাঠশালাটি এখন প্রতিষ্ঠাতা রফিকের চা বিক্রির টাকায় চলে। সরকারের সুনজর পড়লে স্কুলটি হবে সরকারী। তাহলে চা দোকানী রফিকুলে উদ্দেগ চলমান থাকবে।এখানে স্হানীয় বাসিন্দারাও শিক্ষায় শিক্ষিত হবে।

ঝিলিম ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও পাঠশালার সভাপতি রাশিদুল হক জানায়;গ্রামাঞ্চলে অনেক বাসিন্দা আছে যারা এখনো শিক্ষার্জনের জন্য বিদ্যালয়ে যায়নি তাদের কথা ভেবে রফিক সোনামুনি পাঠশালা নামে স্কুলটির পথচলা শুরু হয়।এটি একটি মহাৎ উদ্দেগ।

স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চা বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন; ঠাকুর পলশা এলাকাজুড়ে ৬ কিলো মিটারের মধ্য রফিক সোনামুনি পাঠশালা অবস্থিত। চা বিক্রি করে স্কলটি পরিচালনা করা বড়ই কষ্টকর। সরকারের কাছে আকুল আবেদন আমার সোনামুনি শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়ে স্কুলটি সরকারী করণ করে।