• মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন নাচোলে বুদ্ধিজীবি দিবস ও বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিসভা নাচোলে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াতের এমপি প্রার্থীর মতবিনিময় আজ শ্রীমঙ্গল মুক্ত দিবস নাচোলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল নাচোল ইলা মিত্র প্রেসক্লাবের আত্মপ্রকাশ,সভাপতি সোহেল রানা – সম্পাদক বিশ্বনাথ চাঁপাইনবাবগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম বুলবুলের উদ্যোগে (৩৪) কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ের সূচনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও উচ্চশিক্ষা এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনা” সেমিনার অনুষ্ঠিত নাচোলে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি পালন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গিমাডাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ বানিজ্য ও ব্যপক দূর্নীতির আভিযোগ ।

Reporter Name / ৯৮ Time View
Update : সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

পলাশ সিকদার গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ


গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়নের গিমাডাঙ্গা গ্রামের গিমাডাঙ্গা্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন পদে ৬জন কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জানা যায় গত ১৫ই জুন এই নিয়োগ প্রদান করেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি তাওফিক বিশ্বাস, শিক্ষার ডিজি এর প্রতিনিধি, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার মন্ডল উপজেলা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহ শিক্ষক প্রতিনিধি। নিয়োগ প্রাপ্তদের মধ্যে সহকারী প্রধান শিক্ষিকা আন্জুমান আরা খানম, বর্তমান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বি,এম তাওফিক এর স্ত্রী। অফিস সহকারী হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্বজিৎ মন্ডল, জানা যায় এই বিশ্বজিৎ মন্ডল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার মন্ডলের চাচাতো ভাই। কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর সনেন্দ্র রায় সে ও এই প্রধান শিক্ষকের আত্মীয়। এই প্রার্থীদের নিয়োগের ব্যপারে এলাকার জনমনে ঝড় উঠেছে। আরো নিয়োগ পান নিরাপত্তা কর্মী জালাল উদ্দিন, পরিছন্নতা কর্মী রাজু লষ্কর ও আয়া পদে নিয়োগ পেয়েছেন নিলুফা খানম। এলাকাবাসীর বক্তব্য ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্যে পাওয়া যায় নিয়োগের ব্যপারটা সম্পূর্ন গোপন রেখে নিজেদের আত্মীয়-স্বজনদের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করা হয়।গোপন সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক প্রত্যেক নিয়োগ প্রার্থীদের নিকট হতে ছয় থেকে সাত লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে নিয়োগ প্রদান করেছেন।

এ ব্যপারে বিদ্যালয়ের পাশের এক সমাজপতি বাধাঁ দিলে নিয়োগ কমিটির লোকজন তাকে হুমকী প্রদান করেন। পরে তাকে পঞ্চাশ হাজার টাকাও দিতে চায়। যাতে ব্যপারটা ফাঁস না হয়। গোপন সূত্রে জানা যায় সহকারী প্রধান শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত আন্জুমান আরা খানম বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সাবেক টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী সেস্চাসেবক লীগের সভাপতি ও বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্যর স্ত্রী হওয়ার সুবাদে কোন রকম লেনদেন ছাড়াই নিয়োগ পেয়েছেন।
নিয়োগ বানিজ্য ও আত্মীয় করন এর ব্যপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সম্পূর্ন সচ্ছতার মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।গত ১৫ ই জুন লিখিত ও মৌক্ষিক পরিক্ষার মাধ্যমে সহকারী প্রধান শিক্ষিকা সহ আরো পাঁচ জনকে বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এই পরীক্ষায় ৫ জন সহকারী প্রধান শিক্ষিকা সহ মোট ৪৬ জন প্রার্থী আবেদন করেন। আবেদনকারীদের মধ্যে ৫/৬ জন ব্যতীত সকলেই পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। নিয়োগ বোর্ডে কারা উপস্থিত ছিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের ডিজির প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন সরকারি জিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবতাবুর রহমান হেলালী, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা উচ্চ মাধ্যমিক কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান, ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার মন্ডল, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন শওকাত শরীফ, শিক্ষক প্রতিনিধি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নলিনী রঞ্জন বিশ্বাস। এই পাঁচ সদস্য বিশিশ্ঠ কমিটির মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়। তিনি বলেন বর্তমান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির স্ত্রী প্রার্থী থাকায় সভাপতি নিয়োগ কমিটিতে ছিলেন না, তবে তার প্রতিনিধি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শওকাত শরীফ।
এ ব্যপারে নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত থাকা উপজেলা শিক্ষা আফিসার মাহাবুবুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিয়োগ বোর্ডে আমরা পাঁচ জন ছিলাম। সহকারী প্রধান শিক্ষক আন্জুমান আরা খানমের নিয়োগের সময় বিদ্যালয় পরিচালনা কমটির সভাপতি উপস্থিত ছিলেন। আমি যখন জানতে পারি প্রার্থী সভাপতির স্ত্রী তখন আমি সভাপতিকে বের করে দেই। তিনি তার একজন প্রতিনিধিকে রেখে যান। আমি জানতাম না যে, নিয়োগ যারা পেয়েছে বা বোর্ডে হাজির হয়েছে তারা প্রধান শিক্ষক বা সভাপতির আত্মীয় স্বজন। নিয়োগে মোটা অংকের টাকা নেওয়া হয়েছে তাও আমি জানিনা
নিয়োগে আনিয়ম এবং বিশেষ ক্ষমতা বলে নিজের স্ত্রীকে সহকারী প্রধান শিক্ষক বানিয়ে নেওয়ার ব্যপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য, বি এম তাওফিক ইসলামের ০১৭১৮১০০৭৫৮ নাম্বারে গত রবিবার বার বার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায় নাই। এ ব্যপারে সংশ্লিস্ঠ কতৃপক্ষের দৃস্টি আকর্ষন সহ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category