• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত মোঃ খাইরুল ইসলাম

কক্সবাজারে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করলো স্বামী

Reporter Name / ৮৬ Time View
Update : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

রিয়াজ উদ্দীন রিয়াদ, কক্সবাজার :

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নে এক নারীর মাথা ও হাতের কবজিবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
 
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে দক্ষিণ জানারঘোনা এলাকার একটি ভাড়া বাসার পাশের পুকুরপাড় থেকে বীভৎস এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা গেলেও বিচ্ছিন্ন মাথাটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
 
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে পুকুরপাড়ে কম্বলে মোড়ানো একটি বস্তু থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে দেখতে পায়, কম্বলের ভেতরে এক নারীর অর্ধগলিত দেহ, যার মাথা এবং দুই হাতের কবজি কেটে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, নিহত নারীর নাম সাদিয়া আক্তার মুন্নি (২৮)। তিনি মহেশখালী উপজেলার জাগিরাঘোনা এলাকার আমানউল্লাহর মেয়ে।
নিহত নারী সাদিয়া আক্তার মুন্নির মা ও তার ভাই বলেন থাকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করে আচ্ছিলো, গেল ২৬ মার্চ থেকে তিনি নিখোঁজ হন। এর পরে কক্সবাজার সদর মডেল থানার জিডি ও কোর্টে মামলাও করেন।

 স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাদিয়া আক্তার মুন্নি ও তার স্বামী সাইফুল রহমান দক্ষিণ জানারঘোনা এলাকার আইয়ুবের বাড়িতে বাসা ভাড়া নেন। সাইফুল নিজেকে পেশায় গাড়িচালক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। তবে রহস্যজনকভাবে গত ১৫ দিন ধরে ওই দম্পতির কাউকেই এলাকায় দেখা যাচ্ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত দুই সপ্তাহ আগে হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহটি পুকুরপাড়ে ফেলে রেখে ঘাতক পালিয়ে যায়।
 
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন জানান, মরদেহটি সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “মরদেহটি মারাত্মকভাবে বিকৃত এবং মাথা ও কবজি বিচ্ছিন্ন ছিল, যা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত ও বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছি।”
 
প্রাথমিক আলামত পর্যালোচনায় পুলিশের ধারণা, ঘাতক অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে মাথা ও কবজি বিচ্ছিন্ন করেছে যাতে পরিচয় দ্রুত শনাক্ত করা না যায়। স্বামীর দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতি এই ঘটনার পেছনে পারিবারিক কলহ বা গভীর কোনো ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমানে নিহতের স্বামী সাইফুল রহমানকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category