চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদের আট নম্বর ওয়ার্ডের মৃত তাজিমুল হকের ছেলে মোঃ রজব আলী ও তার সহধর্মিণী সহ বেশ কয়েক গুরুতর আহত হয়েছেন ।
আহত ব্যক্তি আমাদের দৈনিক খবরের ডাক কে জানান,, শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাসায় চলে আসার পর একই এলাকার সুতা আলী এবং তার ছেলে রেজাউল, মিজানুর, রাসেল সহ বেশ কয়েক জন লাঠি,বাঁশ,হাসুয়া,কাতা,সহ বিভিন্ন প্রকার মারা মারির জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ির ভিতরে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে ।
এক পর্যায়ে রজব আলি গালির কারণ জানতে চাইলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা বরাবর কোপ মারে কিন্তু কারণ বসতে কোপ মাথায় না লেগে কপালে লেগে যায় ,, এর পর এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করে দুর্বৃত্তরা এ সময় রজব আলীর সহধর্মিণী চিৎকার চেঁচামেচি শুনে স্বামীকে বাঁচাতে গেলে দুর্বত্তরা তার বুক বরাবর বাঁশের বাড়ি মারে ।
আঘাতের পর রজব আলী ও তার সহধর্মিনী মাটিতে লুটিয়ে গড়াগড়ি করে ।
সে সময় দুর্বৃত্তরা ঘরের ভিতরে ঢুকে ঘরের সকল আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং বিছানার নিচে গরু কিনার জন্য 1 লাখ 40 হাজার টাকা রেখেছিল রজব আলী সেই টাকা হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা এক পর্যায়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করলে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এ সময় দুর্বৃত্তদের বাধা দিতে গেলে এলাকাবাসীও হামলার শিকার হন । স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে বেশি আসার টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা । আহত রজব আলী ও তার সহধর্মিণী সহ বেশ কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান এলাকাবাসী ।
এই বিষয় নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে । এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দার ঝড়ো হাওয়া দেখতে পাওয়া যায় ।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রজব আলী বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন ।
ভুক্তভোগী পরিবার ও গ্রামের সচেতন মানুষ পুলিশের কাছে দাবি করেন যাতে সঠিক তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন যাতে এই ধরনের নেক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে ।