• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত মোঃ খাইরুল ইসলাম

হাসপাতালের কর্মীদের ছুরিকাঘাত করা সেই করোনা রোগী মারা গেছেন

Reporter Name / ৬৫১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

হাসপাতালের কর্মীদের ছুরিকাঘাত করা সেই করোনা রোগী মারা গেছেন

দুই নার্স ও এক ওয়ার্ড বয়কে ছুরিকাঘাত করা সেই করোনা রোগী সবুজ পিরিস (৩৫) গত সোমবার রাতে গুলশানের বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা গেছেন। এর আগে ২২ জুলাই মধ্য রাতে তিনি উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে সেই হাসপাতালের কর্তব্যরত নার্স মিতু রেখা, ইমোনা আফরোজা ও ওয়ার্ড বয় মো. সাগরকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে মিতু রেখা ও ইমোনা ওই হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ বলেছে, সবুজের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবার শিন শিন হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে হত্যা মামলা করেছেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবুজকে মারপিটের কথা অস্বীকার করেছেন।
মঙ্গলবার রাতে সবুজের শ্বশুর জ্যোতি কস্তা বলেন, ‘সেই রাতে শিন শিন হাসপাতালে কী হয়েছিল, তা আমাদের জানা নেই। তারা যা বলেছে, আমরা তা–ই শুনেছি। খবর পেয়ে পরদিন ২৩ জুলাই সকালে গিয়ে দেখি, সবুজকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) বাইরে হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছে। তাঁর পুরো শরীর ফুলে গিয়েছিল, বিভিন্ন স্থানে ছিল কালো দাগ। অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা জানান, তাঁকে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এতে তাঁর রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অস্ত্রোপচার করা হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। অসুস্থ সবুজকে মারধর করে জখম ও চিকিৎসা না দিয়ে ফেলে রাখার অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়েছে।

স্বজনেরা অভিযোগ করেন, শিন শিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে সবুজকে ৮০ হাজার ৮০০ টাকা দামের একটি ইনজেকশন দেওয়া হতো। এতে তিনি উন্মাদের মতো আচরণ করতেন। এর জেরে তিনি হাসপাতালের কর্মচারীদের ছুরিকাঘাত করে থাকতে পারেন। তাঁরা বলেন, ৫ দিনে সবুজের চিকিৎসায় ৫ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে। কিন্তু সবুজের শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হচ্ছিল না। উল্টো তারা সবুজকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াসীন গাজী বলেন, নার্স ও ওয়ার্ড বয়ের ওপর হামলার ঘটনায় সবুজের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছিল। এখন সবুজের পরিবারের পক্ষ থেকে করা হত্যা মামলায় শিন শিন হাসপাতালের অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আসামি করা হয়েছে। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে হাসপাতালের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের গ্রেপ্তার করা হবে।

শিন শিন হাসপাতালের ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম বলেন, সবুজ যখন তিনজনকে ছুরিকাঘাত করেন, তখন অন্য রোগী, স্বজন ও হাসপাতালের কর্মচারীরা তাঁকে আটকাতে যান। ধস্তাধস্তির সময় ১২০ কেজি ওজনের অক্সিজেন সিলিন্ডার তাঁর শরীরের ওপর পড়েছিল। এতে তাঁর হাতে আঘাতও লাগে। তবে এই হাসপাতাল থেকে যাওয়ার সময় সবুজ হেঁটে বের হয়েছিলেন। করোনায় বা অন্য হাসপাতালে গিয়ে মারা গেলে, সেই দায় শিন শিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নয়। তিনি বলেন, সুবজ যে ছুরি দিয়ে হাসপাতালের কর্মীদের আঘাত করেছেন, সেটা তাঁর স্ত্রী তাঁকে দিয়েছিলেন। সেই কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category